নন্দীগ্রামে ‘নেশাখোর’ নেতার বহিস্কার ও গ্রেফতারের দাবি

নন্দীগ্রামে ‘নেশাখোর’ নেতার বহিস্কার ও গ্রেফতারের দাবি

বগুড়ার নন্দীগ্রামে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আনিছুর রহমানের বহিস্কার ও গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে আওয়ামী লীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।এদিকে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আনিছুর রহমানসহ তার সহযোগীদের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে পুলিশ ।

গতকাল মঙ্গলবার ‘নেশাখোর’ নেতার ভিডিও ভাইরাল শিরোনামে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়। প্রকাশিত সংবাদটি নিয়ে উপজেলা জুড়ে হৈ চৈ পড়ে যায়। চায়ের স্টল থেকে শুরু করে প্রত্যান্ত গ্রামাঞ্চলে সমালোচনার ঝড় বইছে।
এরই প্রেক্ষিতে ‘নেশাখোর’ নেতার বহিস্কার ও গ্রেফতারের দাবিতে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় আওয়ামী লীগসহ সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিল শেষে দলীয় কার্যালয়ে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্যানেল মেয়র আনিছুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে আওয়ামী লীগ, শ্রমিকলীগ, স্বেচ্ছা সেবকলীগ, ছাত্রলীগ, তাতীলীগ, বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদের নেতাকর্মীরা বক্তব্য রাখেন।
সমাবেশে বক্তরা বলেন কোন নেশাখোর, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ আওয়ামী লীগে থাকতে পারবে না। মাদক সেবী কোন দলের নয়, তারা জাতির শত্রু। অবিলম্বে ‘নেশাখোর’ আওয়ামী লীগ নেতা আনিছুর রহমানসহ তার সহযোগীদের বহিস্কার ও গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ আনিছুর রহমান বলেন,আমার বিরুদ্ধে একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে।আমি কোন নেশার সাথে জড়িত নই।আমি কোন অপকর্মের সাথে জড়িত নই।আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে।তা সম্পূন মিথ্যা।
থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শওকত কবির বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আনিছুর রহমানসহ তার সহযোগীদের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং অনুসন্ধান অব্যাহত আছে। মাদক ব্যবসায়ী বা সেবনকারী যেই হোক না কেন তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, বরাবর জাসদের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত থাকা আনিছুর রহমান ২০১২ সালের শুরুতে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। এর ৯ মাসের মধ্যেই পেয়ে যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ। এরআগে আনিছুর রহমানের ইয়াবা ও গাঁজা সেবনের ছবিসহ পোস্টার উপজেলার বিভিন্ন এলাকার দেয়ালে দেয়ালে দেখা গেছে।

শেয়ার করুন