ইতিহাস-ঐতিহ্য

ইতিহাসের সাক্ষী পাকুটিয়া জমিদার বাড়ি

মারুফ হোসেন :

পাকুটিয়া জমিদার বাড়ি,জমিদারের জমিদারিত্ব না থাকলেও  আছে শুধু জমিদারের ইতিহাসের সাক্ষী । বালিয়াটি জমিদার বাড়ি এবং পাকুটিয়া জমিদার বাড়ির পরতে পরতে রয়েছে কালের নিদর্শন । জমিদার বাড়ির অপূর্ব কারুকার্য খচিত বিশাল ভবন। দেয়ালের পরতে পরতে রয়েছে সৌন্দর্যের ছোঁয়া দিয়ে সাজানো ছবির মতন। ইতিহাস ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে  থাকা অন্য জমিদারবাড়ির চেয়ে একটু হলেও বাড়তি সৌন্দর্য খুঁজে পাওয়া যায় টাংগাইলের নাগরপুর উপজেলার পাকুটিয়া জমিদার বাড়িতে। এখানে পাশাপাশি রয়েছে চমৎকার কারুকার্যখচিত বেশ কয়েকটি ভবন। প্রকৃতির মনোরম পরিবেশে যা পর্যটকদের দৃর্ষ্টি কাড়ে। অগাধ বিত্তের মালিক জমিদার অভিজাত শ্রেণীর ভোগবিলাসী জীবনযাপনের কথা সর্বজনবিদিত। প্রজাদের কাছ থেকে আদায়কৃত অর্থের একটি বড় অংশ জমিদাররা ব্যয় করতো নিজেদের প্রমোদ ও বিলাসিতায়। টাংগাইলের নাগরপুর উপজেলার পাকুটিয়াতে জমিদাররা গড়ে তুলেছিল দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্য কৌশলে বহুব্যয়ে নির্মিত প্রাসাদোনুপম বাসভবন। কালের সমুদ্রে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া জমিদার শ্রেণীর প্রতিভু হয়ে যা ধবংসস্তূপের মাঝে আজও টিকে আছে।ঊনিশ শতকের দিকে লন্ডন ও কলকাতা থেকে  আনা নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করে গড়ে তোলা হয় দুইতলা বিশিষ্ট বেশ কয়েকটি অট্টালিকা। পাকুটিয়া জমিদার বাড়ির ৩টি ভবন টিকে আছে আজও অবিকৃত অবস্থায়।

Related Articles