শিরোনাম

আজ শুক্রবার, ২৩ অগাস্ট ২০১৯, ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন


গণপিটুনির বিরুদ্ধে অভিযান শুরু

গণপিটুনির বিরুদ্ধে অভিযান শুরু

অনলাইন ডেস্ক :

গুজব কিংবা সন্দেহের বশে গণপিটুনি দিয়ে হত্যার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ। এরইমধ্যে গুজব রটনাকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে তারা। কাজ করছে একাধিক সাইবার ক্রাইম ইউনিট। সন্দেহজনক কিছু দেখলে তা পুলিশকে জানানোর অনুরোধও করা হয়েছে।ছেলেধরা, কল্লাকাটা, মাথাকাটা কিংবা গলাকাটার কথা বলে গণপিটুনি দিয়ে হত্যার বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে গত কয়দিনে। ছেলেধরার গুজব ছড়িয়ে গণপিটুনির সবচেয়ে নির্মম বলি রাজধানীর উত্তর বাড্ডার তসলিমা নামের এক নারী।সন্তানকে প্রাথমিক স্কুলে ভর্তি করানোর জন্য খোঁজ নিতে গিয়েছিলেন তিনি। ছেলেধরা সন্দেহে শুধু হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি মানুষ- তা ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে।সাম্প্রতিক এসব ঘটনার সূত্রপাত মূলত পদ্মা সেতু তৈরিতে মানুষের মাথা ও রক্ত লাগবে বলে একটি গুজবকে কেন্দ্র করে। তা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়তে সাহায্য করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আর ইউটিউব।আবার ফেসবুকে ফেইক আইডি খুলে বিভিন্ন মানুষের ছবি দিয়ে তাদের ধরিয়ে দেয়ার বিজ্ঞাপনও প্রচার করা হয়। ছড়িয়ে পড়ে ছেলেধরার আতঙ্ক।সন্দেহের বশে প্রকাশ্যে মানুষ পিটিয়ে হত্যার পেছনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিচার ব্যবস্থার উপর মানুষের আস্থা না থাকা, সামাজিক অসমতা, কিছু মানুষের এজেন্ডা বাস্তবায়নের কৌশল ও সামাজিক অস্থিরতাকে দায়ী করলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান, অপরাধবিজ্ঞানী অধ্যাপক জিয়া রহমান।  গেলো কয়েকদিনে ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনিতেই মারা গেছে নয়জন। বিভিন্ন জায়গার ফুটেজ দেখে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার ও গুজব রটনাকারীদের বিরুদ্ধে অভিযানেও নেমেছে পুলিশ।পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) সোহেল রানা বলেন, ‘অস্থিতীশীলতা সৃষ্টির জন্য একটি মহল কাজ করছে। তারা যে গুজব ছড়াচ্ছেন, অনেকেই আবার না বুঝেই তা শেয়ার করছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। ইতিমধ্যে আমরা একাধিক জনকে গ্রেপ্তার করেছি, তাদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট অন্যদেরও গ্রেপ্তার করা হবে।

প্রতি/আজাদ

শেয়ার করুন