আইন-আদালতসারাদেশ

ডিমলায় মোবাইল কোর্ট : অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে গোস্ত বিক্রয়ে জরিমানা

ডিমলা(নীলফামারী)প্রতিনিধি :

পশু জবাইয়ের নিয়মকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে সপ্তাহে ০৩ দিন পশু জবাইয়ের নির্দেশনা থাকলেই সপ্তাহের প্রতিদিনেই পশু জবাই করে দেদারছে বিক্রয় করা হচ্ছে গো-মাংস। কিছুতেই থামছেনা পশু জবাই। অভিযোগ উঠেছে, রুগ্ন, অসুস্থ্য, দুর্বল ও বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত পশু জবাই করে মাংস বিক্রয় করেই চলেছে এসব ব্যবসায়ীরা। এমনকি চরা দামেও বাজার মূল্যের তোয়াক্কা না করে মনগড়া দাম নিয়েও করছে মাংস বিক্রয়। এ প্রসঙ্গে উপজেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর ওয়াহেদুর ইসলাম জানান, সপ্তাহের তিন দিন রোববার, সোমবার ও বৃহস্পতিবার বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পশু জবাই করা যাবে, অন্যদিনে পশু জবাইয়ের কোন নিয়ম নেই। কেন নিয়ম না মেনেই পশু জবাই হচ্ছে এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কেহই নিয়ম মানতে চায় না। অন্যদিকে পশু পালন কর্মকর্তার দিকে আঙ্গুল তুলেছে সাধারণ মানুষ। ভূক্তভোগী স্থানীয়রা জানান, পশু জবাইয়ের পূর্বে অবশ্যই পশুর স্বাস্থ্যগত পরীক্ষার সার্টিফিকেট নিয়েই পশু জবাইয়ের কথা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। এ প্রসঙ্গে গো-মাংস বিক্রেতারা অভিযোগ করে বলেন, আমরা পশু নিয়ে উপজেলা পশু হাসপাতালে নিয়ে গেলেও সার্জন সময় মত পাই না। যারকারনে আমরা স্বাস্থ্যগত সার্টিফিকেট না পেয়েই পশু জবাই করি। এ ব্যপারে পশু কর্মকর্তা সাইদুর রহমান কোন মন্তব্য করেননি। নির্ধারিত জায়গায় পশু জবাইয়ের কথা থাকলেও ব্যবসায়ীরা যত্রতত্র সেখানে সেখানে পশু জবাই করছে দেদাড়ছে। দীর্ঘদিন ধরেই অস্বাস্থ্যকর নোংরা পরিবেশে নিয়মের তোয়াক্কা না করেই গো-মাংস (গোস্ত) বিক্রেতাগণ জন সাধারণের কাছে মাংস বিক্রয় করায় মোবাইল কোর্টে সোমবার ১৮ ফেব্রুয়ারী বিকেলে ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে । জানা যায়, নীলফামারীর ডিমলায় বাবুরহাট হাট-বাজারে মাংস বিক্রির সেটে অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় অসাধু ব্যবসায়ীরা (কসাই) মৃত মফিজ উদ্দিনের পুত্র মোতালেব হোসেনকে অস্বাস্থ্যকর মাংস বিক্রয়ের অপরাধে ৫ হাজার টাকা জরিমান করা হয়েছে। জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিক্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোছা: নাজমুন নাহার মুন উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ভ্যাটেনারী সার্জন মোঃ সাইদুর রহমান, উপজেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক ও স্যানিটারী ইন্সপেক্টর মোঃ ওয়াহেদুর ইসলাম, ডিমলা সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কাশেম সরকার, পেসকার রোকনুজ্জামানসহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে গো-মাংস বিক্রেতাগনকে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মাংস বিক্রয় করার অপরাধে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এ সময় তিনি এসব ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেন বলেন, পশুর স্বাস্থ্যগত সার্টিফিকেট নিয়েই পশু জবাইয়ের নির্দেশ প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। তিনি হুশিয়ারী দিয়ে বলেন, এভাবে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য বিক্রয় করা হলে জেল/জরিমানা অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত করা হবে।

Related Articles