শিরোনাম

আজ বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০১৯, ০৮:০৩ অপরাহ্


তাড়াশে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পুকুর খনন

তাড়াশে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পুকুর খনন

cof

 

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ)প্রতিনিধি :

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে প্রশাসণ বাধা দিলেও তা তোয়াক্কা না করেই ৩৮ বিঘা ফসলি কৃষি জমিতে পুকুর খনন করছে মিজানুর রহমান মজনু চেয়ারম্যান। এ অবস্থা চলতে থাকলে ভবিষ্যতে ফসলি জমির সংখ্যা শূন্যের কোটায় নেমে যাবে বলে আশষ্কা করছে উপজেলার সচেতন মহল।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নের মহিষলুটি মহাসড়কের পাশে জমির শ্রেণি পরিবর্তনের নীতিমালা না মেনে প্রায় ৩৮ বিঘা ফসলি জমিতে পুকুর খনন করছে। মজনু চেয়ারম্যান মহিষলুটি গ্রামের মতিয়ার রহমানের কাছে থেকে ৩৮ বিঘা জমি পুকুর খনন করার জন্য লীজ নিয়েছেন।

ওই এলাকার অন্তত ৫জন কৃষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, পুকুর খনন করা হলে আশপাশের সকল জমির চাষাবাদ বন্ধ হয়ে যাবে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মজনু প্রভাব খাটিয়ে কোন নিয়ম নীতি তোয়াক্কা না করে পুকুর খনন করে চলছে।

এব্যাপারে নওগাঁ ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মজনু বলেন, দীর্ঘদিন হলো এই জমিতে ফসল ভালো না হওয়ায় শ্রেণি বদলের জন্য সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসন বরাবর আবেদন করেছি। আবেদন সকল কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। পুকুর খননের জন্য অনুমতি পেয়েছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন এখনও আদেশ পাইনি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, কৃষিজমি সুরক্ষায় আইন আছে। শ্রেণি বদলেও নিয়ম আছে তবে অনুমতি না পেলে পুকুর খনন করা যাবে না। তারপরও ফসলি জমিতে পুকুর খনন করে অবাধে মাছ চাষ করা হচ্ছে। এভাবে আবাদি জমি কমতে থাকলে অচিরেই এ উপজেলা খাদ্য নিরাপত্তার হুমকিতে পড়বে বলে মনে করেন তিনি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইফফাত জাহান বলেন, প্রথমে অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫০ হাজার টাকা জমিমানা করা হয়েছিল। পুকুর খননে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তিনি একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে বেআইনি কাজ করে চলছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

শেয়ার করুন