আজ বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ০৬:৫৬ অপরাহ্


নড়াইলের শসার অভাবনীয় সাফল্য

নড়াইলের শসার অভাবনীয় সাফল্য

নড়াইল সংবাদদাতা : নড়াইলের শসার অভাবনীয় সাফল্য পুজোর আসন থেকে বিউটি পালায়: শসা চাষে অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছেন নড়াইলের কৃষকেরা। অন্য ফসলের চেয়ে লাভ কয়েকগুন বেশী হওয়ায় শসা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন এখানকার চাষীরা। নড়াইল সদর উপজেলার আগদিয়া, বিছালী, মুসুড়ি, মুলিয়া, শেখহাটিসহ অন্তত ১০ গ্রামের কৃষকেরা এ বছর শসা চাষ করেছেন। প্রায় প্রত্যেক গ্রামে শসার বাম্পার ফলন হয়েছে। নড়াইল কৃষি সম্প্রসারন সূত্রে জানা যায়, জেলায় এ বছর ১৫০ হেক্টর জমিতে শসার আবাদ হয়েছে। আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, অনান্য ফসলের তুলনায় লাভজনক হওয়ায় অনেকেই শসা চাষ করে সাবলম্বী হয়েছে। দিন দিন শসা চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরেজমিনে দেখা যায়, গ্রামে গ্রামে গড়ে উঠেছে শসার কেনা বেচার মৌসুমী আড়ত। কৃষকেরা ক্ষেত থেকে তুলে এনে আড়তে বিক্রি করছেন। এতে মহিলা, বেকার যুবকসহ কলেজের ছাত্রদেরও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে। স্থানীয় বাজারের চাহিদা মিটিয়ে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় চলে যাচ্ছে এখানকার শসা। স্থানীয় বাজারের ক্রেতারা টাটকা, তাজা শসা কিনতে পেরে খুশি। কৃষকরা জানিয়েছেন, এক একর জমিতে মাচাসহ জমি তৈরি করে শসা চাষ করতে খরচ হয় ৪০-৫০ হাজার টাকা। আর এই জমি থেকে উৎপাদন হয় আড়াই থেকে তিন লাখ টাকার শসা। প্রতি শতকে জমিতে খরচ হয় ৪শ থেকে ৫শ টাকা আর উৎপাদন হয় আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার টাকা (৫/৬ মন)। বীজ রোপনের ৪০ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে ফসল তোলা শুরু হয়ে যায়। ধানের তুলনায় ৩,৪ গুন বেশী লাভ হয়। নড়াইল জেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, ‘শসা চাষ করে কম খরচে বেশী লাভবান হওয়ার জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই সবজি চাষে তারা সচ্ছল কৃষকে পরিণত হয়েছে।

শেয়ার করুন