আজ বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ০৭:৪৩ অপরাহ্


পলাশবাড়ীতে অবিবাহিত যুবতি উত্তোলন করলো মাতৃত্বকালিন ভাতা

পলাশবাড়ীতে অবিবাহিত যুবতি উত্তোলন করলো মাতৃত্বকালিন ভাতা

গাইবান্ধা জেলা সংবাদদাতাঃ
গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মর্কতা জান্নাতুল ফেদাউসের যোগসাজসে পলাশবাড়ীতে অবিবাহিত যুবতি উত্তোলন করেন মাতৃত্বকালিন ভাতা করেছে।
জানা যায়,গত ১৬-১৭ অর্থ বছরে পলাশবাড়ী উপজেলা সদরের আমবাড়ী গ্রামের সাবু মিয়ার অবিবাহিত কন্যা সাধনা খাতুন একই গ্রামের আশরাফুল ইসলামের স্ত্রী মরিয়ম বেগমরে নামে মাতৃত্বকালিন ভাতার কার্ডে নিজের ছবি দিয়ে মাতৃত্বকালিন ভাতার ২ বারের টাকা উত্তোলন করেন সাধনা খাতুন।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়,সাধনা খাতুন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদাউসীকে ম্যানেজ করে একই গ্রামের সালাম মিয়ার স্ত্রী শরিফা বেগমের নামে মাতৃত্বকালিন ভাতাসহ বিভিন্ন জনের নামে ভিজিডি কার্ডে চাল উত্তোলন করেন বলে জানান আমবাড়ী গ্রামের নারীরা। মাতৃত্বকালিন ভাতা উত্তোলনকারী যুবতি সাধনা বেগমের সহিত দেখা করতে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। সাধনার বাবা সাবু মিয়া জানান, সাধনা বাড়ীতে নেই জামালপুরে তাহার বোনের বাড়ীতে আছে।
এবিষয়ে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদাউসীর সাথে কথা বলতে গেলে তিনি মরিয়ম বেগমের নামে নতুন করে একাউন্ট খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিলেও টাকা উত্তোলনকারীর বিরুদ্ধে কোন প্রকার আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করেননি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেজবাউল হোসেনের সাথে এবিষয়ে বলতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোন মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
অপর দিকে এবিষয়ে জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সাথে কথা বলতে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তাহার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।
ভুক্তভোগী পরিবারসহ আমবাড়ী গ্রামের সচেতন মানুষ এঘটনার সাথে জড়িত নারী সাধনা বেগম ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদাউসীর দৃষ্ঠান্ত মূলক শাস্তি দাবী করেন।

শেয়ার করুন