আজ বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ০৭:১২ অপরাহ্


নড়াইলের ছেলেধরা বিরোধী সচেতনতামূলক প্রচারণায় সদর সার্কেল শেখ ইমরান

নড়াইলের ছেলেধরা বিরোধী সচেতনতামূলক প্রচারণায় সদর সার্কেল শেখ ইমরান

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা সংবাদদতা: নড়াইলের চরকোটাকোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে (২৫,জুলাই) ছেলেধরা গুজবের বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক প্রচারণা সভায় স্কুলের শিক্ষক ও ছাত্র ছাত্রীদের সাথে মত বিনিময় করছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), শেখ ইমরান। ছেলে ধরা আর গলাকাটা নিয়ে যখন গ্রামের মানুষের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে। ঠিক তখনই নড়াইলের কালিয়ায় উপজেলা ও নড়াইলের লোহাগড়ায় পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কমিউনিটি পুলিশিং ও এন্টিক ক্রাইম মিটিং উক্ত মিটিংয়ে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), শেখ ইমরান অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সহকারি শিক্ষক স্কুলের শিক্ষার্থীরা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন বর্তমান ছেলেধরা গুজব চলছে এ কথাটি সত্য নয় এই বিদ্যালয়ের কোন ছাত্র-ছাত্রী যেন এই গুজবে কান না দেয় সেদিকে শিক্ষক ও অভিভাবকদের কঠোর নজরদারিতে রাখতে হবে কোন ছেলে মেয়ে মাদক জঙ্গিবাদ ইভটিজিং এ জড়িয়ে না পড়ে সেদিকে ও সকলের সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে দিনভর মাইকিং করে ছেলে ধরা ও গলাকাটা গুজবে কান না দিতে জণসচেতনতা সৃষ্টির জন্য এলাকবাসিদের সতর্ক করেছে দুই থানা পুলিশ। আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায় জানান, মাইকিংয়ে করে বলা হয়েছে, ছেলে ধরা বা গলাকাটা সন্দেহে কোন মানুষকে গণপিটুনি দেবেন না। আর গণপিটুনি দিতে গিয়ে কেউ আইন হাতে তুলে নেবেন না। কোন লোককে সন্দেহ হলে সঙ্গে সঙ্গে পুরিশকে জানাতে বলা হয়েছে। এছাড়া ওইসব সতর্ক বার্তা পৌঁছে দিতে পুলিশ কর্মকর্তারা উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র, শিক্ষক ও অভিভাবকদের নিয়ে সমাবেশ করেছেন। ওই সব সমাবেশে ‘নড়াইলের (কালিয়া সার্কেলের) সহকারি পুলিশ সুপার রিপন চন্দ্র সরকার, নড়াইলের কালিয়া থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম ও ‘নড়াইলের নড়াগাতি থানার ওসি মো. আলমগীর কবিরসহ স্থানীয় সমাজকর্মীরা বক্তব্য রাখেন। নড়াইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), শেখ ইমরান ও নড়াইলের (কালিয়া সার্কেলের) সহকারি পুলিশ সুপার রিপন চন্দ্র সরকার, আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়কে জানান, নড়াইলের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন পিপিএম (বার)’র নির্দেশে ওই ধরণের অপপ্রচার ও গুজবভীতি থেকে মানুষকে সতর্ক করতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।অপরদিকে কেই যাতে আইন হাতে তুলে নিয়ে নিজেদেরকে বিপদগ্রস্থ করতে না পারে,সে জন্য সমাবেশ ও মাইকিংয়ের মাধ্যমে সকলকে সচেতন করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন