আজ বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ০৬:৫৫ অপরাহ্


সাঘাটায় বন্যার পানিতে সাঘাটায় ৪৩ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক ক্ষতি

সাঘাটায় বন্যার পানিতে সাঘাটায় ৪৩ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক ক্ষতি

গাইবান্ধা জেলা সংবাদদাতাঃ
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বন্যা কবলিত এলাকায় ৪৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পানি ওঠায় বিদ্যালয়গুলোর ব্যাপক ক্ষতিসাধিত হয়েছে। নদী বেষ্টিত চরাঞ্চল সহ বন্যা কবলিত গ্রামগুলোর ৪৩ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাময়িক পাঠদান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। পানি কমে যাওয়ায় মঙ্গলবার ওইসব বিদ্যালয়ে সব শ্রেণির ক্লাস শুরু হয়েছে।

জানা যায়, উপজেলার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের পূর্বাংশে ৩০টি ও পশ্চিম অংশে ২০ টি গ্রাম প্লাাবিত হয়েছিল। ওই সময় সাঘাটা ইউনিয়নের উত্তর সাথালিয়া গ্রামের সোনাইল বাঁধ বন্যার ¯্রােতে ভেঙ্গে গিয়ে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয় । বিদ্যালয়গুলোতে পানি ওঠার ফলে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়া-আসার পরিবেশ ছিলনা। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয় বিবেচনা করে উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের গোবিন্দপুর, বেড়া, গাড়ামারা, দীঘলকান্দি, পাতিলবাড়ি, গুয়াবাড়ি, কালুরপাড়া, কানাই পাড়া, কুমারপাড়া, জুমারবাড়ি ইউনিয়নের কাঠুর, থৈকরের পাড়া, র্প্বূ আমদিরপাড়া, ঘুড়িদহ ইউনিয়নের চিনিরপটল, খামার পবনতাইড়, সাঘাটা ইউনিয়নের হাটবাড়ি, গোবিন্দী, বাঁশহাটা, দক্ষিণ সাথালিয়া, হাসিলকান্দি, ভরতখালি ইউনিয়নের ভরতখালী, বরমতাইড় ও ভাঙ্গামোড়সহ বন্যা কবলিত গ্রাম গুলোর ৩৫ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ২টি মাদ্রাসা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। এর মধ্যে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে হলদিয়া ইউনিয়নের গোবিন্দপুর দাখিল মাদ্রাসা। উক্ত মাদ্রাসার আসবাবপত্র পানিতে পচে নষ্ট হয়েছে ও মাঠের মাটি ধসে এবং টিনের বেড়া নষ্ট হয়েছে। এতে ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক ক্ষতিসাধিত হয়।

এব্যাপারে সাঘাটা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আজিজুর রহমান জানান, এখন ও ক্ষতিগ্রস্থ প্রতিষ্ঠানের তালিকা সঠিক নিরপন করা হয়নি। তবে সব স্কুলে বন্যার পানি উঠেছিল।

উপজেলা ত্রান ও প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা যায়,উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নের ৫০ টি গ্রামের ১৯ হাজার ২ শত পরিবার ও ৭৬ হাজার পরিবার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ্য হয়েছে। ৮৩ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,৭০৯ টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান,৪৯ কিঃমিঃ কাচা রাস্তা,৬৬ কিঃমিঃ পাকা রাস্তা,২১টি ব্রিজ ও কালভাট,২৫ মিটার বাধ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। সরকারি ২৮ টি ও বেসরকারি ১৭ টি আশ্রয়ন কেন্দ্রে ১৪ শত ৪৭ টি পরিবারের ৫ হাজার ১ শত ৬৮ জন বানভাসী আশ্রয় গ্রহন করে। এ পর্যন্ত উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নে ৩৭৮ মেঃটন চাল ,১৪ শত প্যাকেট শুকনা খাবার ও নগত ৪ লক্ষ ২০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। এছাড়াও ৫০ হাজার টাকার গো খাদ্য ও শিশু খাদ্য প্রদান করা হয়।

শেয়ার করুন