শিরোনাম

আজ রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ১২:০৬ অপরাহ্


খালেদা জিয়ার ৩৬ বছর রাজনৈতিক জীবন পূর্ণ

খালেদা জিয়ার ৩৬ বছর রাজনৈতিক জীবন পূর্ণ

আলো রিপোর্ট

৩ জানুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ৩৬ বছর রাজনৈতিক জীবন পূর্ণ হল। খালেদা জিয়ার এই দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দেশ ও জাতির প্রতি অসামান্য অবদানের জন্য তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে বিএনপি। একই সঙ্গে তার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছে দলটি। শুক্রবার সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিনন্দন জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ১৯৮২ সালের ৩ জানুয়ারি খালেদা জিয়া বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদ নিয়ে দলে যোগ দেন। এর দুই মাস পর দেশে সামরিক শাসন জারি হলে বহুদলীয় গণতন্ত্রের এগিয়ে যাওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যায়। তিনি বলেন, জাতীয় জীবনের সেই ক্রান্তিকালে শুরু হয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন। সেই সংগ্রামে খালেদা জিয়ার অবদান বীরত্বগাঁথা। রিজভী বলেন, সেই সময়ে নিরবিচ্ছিন্ন সংগ্রামে তিনি জাতীয় রাজনীতির মঞ্চে একক ও অনন্য নেতৃত্বে সুপ্রতিষ্ঠিত হন। দীর্ঘ ৯ বছরের সংগ্রামে, সংকটে আপোষহীন ধারায় জনগণের সঙ্গে অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে খালেদা জিয়া গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন। শুরু হয় গণতন্ত্রের পথ চলা। ‘তার (খালেদা জিয়া) ৩৬ বছর রাজনৈতিক জীবনে দেশ ও জাতির প্রতি অবদানের জন্য আমরা আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমরা তার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।’ বিএনপির এ নেতা আরও বলেন, দেশি-বিদেশি চক্র এই মহান জাতীয়তাবাদী নেত্রীর উত্থান সহ্য করতে পারেনি। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রকে যিনি আগলে রেখেছিলেন অতন্ত্র প্রহরীর মতো, তাকে পর্যুদস্তু করার জন্য চক্রান্তকারীরা চক্রান্ত জাল বুনতে থাকে। তিনি বলেন, ভোটারশূন্য নির্বাচনে বিদেশি মদদপুষ্ট অগণতান্ত্রিক ফ্যাসিবাদী শক্তি গণতন্ত্রকে দাফন করতে খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় কারাগারে আটকে রেখে জুলুমের পর জুলুম চালিয়ে যাচ্ছে। ‘বিনাচিকিৎসা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং কারাবিধি অনুযায়ী নিকটজনদের সাক্ষাৎ করতে নানা ফন্দিফিকির করে বিলম্ব করা হচ্ছে। মূলত সাত দিন পর পর আত্মীয়স্বজনদের দেখা করার কথা। অথচ কারাকর্তৃপক্ষ ১৫ দিন পর পর সাক্ষাতের বিধান করে। এবারে ২০-২১ দিন অতিবাহিত হলেও তার সঙ্গে আত্মীয়স্বজনদের সাক্ষাৎ করতে দেয়া হয়নি।’ দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ও খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা গত চার মাস ধরে তার সঙ্গে দেখা করতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেন রিজভী।

শেয়ার করুন