রাজধানীতে এক তরুণ গুলির বিষয়টি রহস্যজনক

রাজধানীতে এক তরুণ গুলির বিষয়টি রহস্যজনক

আলো রিপোর্ট

রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের স্টাফ কোয়ার্টারে ২৭ ডিসেম্বর রাতে রহস্যজনকভাবে গুলিবিদ্ধ হন মাইনুদ্দিন মাহিন নামে এক তরুণ। ঘটনার ১০ দিনেও থানায় মামলা হয়নি। এ বিষয়ে মুখ খুলতে চাচ্ছেন না তার স্বজনরাও। মাহিনের বাবা খোকন ভাণ্ডারি অ্যাম্বুলেন্স ব্যবসায়ী ও স্থানীয় ইউনিট আওয়ামী লীগ নেতা। কর্মচারী না হয়েও ঢামেক হাসপাতালের স্টাফ কোয়ার্টারের দোতলায় পরিবার নিয়ে থাকেন হারুন ভাণ্ডারি। ২৭ ডিসেম্বর রাতে তাদের বাসার সামনে স্থানীয়দের উদ্যোগে খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন করা হয়। সেখানে ছিল মাহিন। রাত সাড়ে ১১টায় সেখান থেকে বেরিয়ে কোয়ার্টারের ছাদে যাচ্ছিল মাহিন। ছাদে তার আরও কয়েক বন্ধু আড্ডা দিচ্ছিল। ভবনের চতুর্থ তলার সিঁড়িতে মুখোশধারী দুই যুবক তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। মাহিন কী কারণে গুলিবিদ্ধ হতে পারেন এ বিষয়ে তিনি ও তার স্বজরা মুখ খুলছেন না। ঢামেক হাসপাতাল সূত্র জানায়, মাহিনকে ৪ জানুয়ারি ঢামেক হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেয়া হয়েছে। মাহিনের বাম কাঁধে গুলি লেগেছে। অস্ত্রোপচার করে গুলিটি বের করতে হবে। ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় আরও পরে অস্ত্রোপচার করা হবে। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি  বলেন, গুলির বিষয়টি রহস্যজনক। যে কারণে এ বিষয়ে কেউ মুখ খুলছেন না। এমনকি এখন পর্যন্ত মামলাও করছেন না। নিউমার্কেট থানায় রোববার পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনো মামলা হয়নি। মামলা না করার বিষয়ে মাহিনের বাবা খোকন ভাণ্ডারি বলেন, এ ঘটনা শুনে স্থানীয় এমপি পুলিশকে তদন্ত করতে দিয়েছেন। পুলিশ তদন্ত করে আমাকে জানাবে। এরপর আমি মামলা করব। মোবাইল ফোনে নিউমার্কেট থানার ওসি আতিকুর রহমানকে পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশের নিউমার্কেট জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার সাজ্জাদ ইবনে রায়হান বলেন, বিষয়টি আমার নলেজে নেই। তবে এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে দেখছি।

শেয়ার করুন