সারাদেশ

নাঙ্গলকোট ডাকাতিয়া নদীতে চলছে বালু উত্তোলনের মহোৎসব হুমকির মূখে পরিবেশ

কুমিল্লা প্রতিনিধি :

র্দীঘদনি ধরে কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ডাকাতিয়া নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি ও বালু উত্তোলনের ফলে আশপাশের জমি গুলোতে ভাঙ্গনের আশংকা দেখা দিয়েছে । স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডাকাতিয়া নদীতে ড্রেজার মেশিন দিয়ে প্রতিদিন মাটি ও বালু উত্তোলনের সাথে জড়িত রয়েছে চৌদ্দগ্রাম ও নাঙ্গলকোট অংশের অসাধু ব্যবসায়ীরা । দীর্ঘদিন ধরে সরকারী খাসের জায়গা ও ডাকাতিয়া নদীর থেকে এই সব ব্যবসায়ীরা ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করে বিভিন্ন ঠিকাদারের কাছে বালু বিক্রি করে আসছে । এতে করে একদিকে কৃষকের ফসলি জমি বিলিন হচ্ছে। অন্য দিকে ড্রেজারের গর্তকৃত জমিন ভেঙ্গে গভীর কূপ তৈরি হচ্ছে ।ড্রেজারের মহামারির ফলে দিন দিন ফসলী জমির যেমন ক্ষতি হচ্ছে। অপরদিকে কৃষকের ধান উৎপাদনে ব্যাহত হচ্ছে । প্রশাষনের কোন ধরনের তদারকি না থাকায় এই সব অসাধু ব্যাবসায়ীরা প্রতিদিনই উপজেলার  সর্বত্রে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করে যাচ্ছে ।স্থানীয়দের অভিযোগ ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করায় ডোবার পাশে থাকায় বাড়ি ঘর ভেঙ্গে পড়ে যায়। এই ভাবে যদি বিভিন্ন ফসলী জমি ও ডোবা থেকে বালু উত্তোলন করে তাহলে এক সময় নাঙ্গলকোট -চৌদ্দগ্রাম ফসলী জমি ও বাড়ি ঘরের অস্তিৃত্ব খুজে হারাবে। ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করে এদের অনাকে  রীতিমত কোটিপতি বনে গেছেন। এই সব অসাধু ব্যবসায়ীরা প্রভাবশালী হওয়া তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছে না এলাকাবাসী।২০১০ সালের বালুমহাল আইনে, কোনো উন্মুক্ত স্থান, চা-বাগান ছাড়া নদীর তলদেশ থেকে বালু বা মাটি উত্তোলন করা যাবে না মর্মে নির্দেশনা থাকলেও কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার সীমারেখা খ্যাত ডাকাতিয়া নদীর চিলপাড়া ব্রীজ , হাসানপুর, ঢালুয়া ইউপির শিহর বালুমহাল পূর্ব বামপাড়া , তুলাতুলী চান্দুর বালু মহাল চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জংগলপুর ,জাগজুর সহ উপজেলার বিভিন্ন ফসলী জমিতে নিষিদ্ধ ড্রেজার মেশিনের সহযোগীতায় বালু ও মাটি উত্তোলনের মহোৎসব চলছে। এদের মধ্যে বেলাল হোসেন পিতা মফিজুর রহমান ,সাদ্দাম হোসেন পিতা লাতুমিয়া ,আমির হোসেন পিতা আনামিয়া ,গ্রাম লবুরতুপা এসব বালু ও মাটি উত্তোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। নদীর নাঙ্গলকোট অংশের চিলপাড়া ব্রীজ সংলগ্ন পুঁটিজলা সীমানায় ১টি ড্রেজার বিগত বেশ কয়েকমাস ধরে বালু ও মাটি উত্তোলন করছে ।এ ব্যাপারে গতকাল শুক্রবার উপজেলা সহকারী ভূমি কমিশনার মোঃ সোহেল রানা বলেন, এই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তাৎক্ষনিক ভাবে আমরা ব্যবস্থা গ্রহন করব।

Related Articles