নগর-মহানগরসারাদেশ

ন্দীগ্রামে বিদ্যুতের ১০টি খুটি ভেঙে অন্ধকারে উপজেলা, দুই শতাধিক বাড়িঘর লন্ডভন্ড

হঠাৎ করেই প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড়ে বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় গাছপালা, বাড়িঘর, বিদ্যুৎ সংযোগ লন্ডভন্ড হয়েছে।

 

নন্দীগ্রাম(বগুড়া) প্রতিনিধিঃ হঠাৎ করেই প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড়ে বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় গাছপালা, বাড়িঘর, বিদ্যুৎ সংযোগ লন্ডভন্ড হয়েছে। এতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে পুরো উপজেলার বিদ্যুৎ সরবরাহ।
সরে জমিন গিয়ে দেখা যায়,  শুক্রবার ইফতারের আগমূহুর্তে হঠাৎ করেই প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় শুরু হয়। এ ঝড়ের তান্ডবে পুরো উপজেলার অসংখ্য গাছ ভেঙ্গে ঘরে ও রাস্তার ওপর পড়ে রয়েছে। একটি পৌরসভা ও পাঁচটি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের দুই শতাধিক বাড়িঘর ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। অনেক এলাকায় বড় গাছ, টিনের চালা বৈদ্যুতিক তাঁরের উপর পড়ে তাঁর ছিঁড়ে পড়েছে ও খুটি ভেঙ্গে গেছে। এদিকে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় জেলা পরিষদের সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আনোয়ার হোসেন রানা ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল আশরাফ জিন্নাহ পরিদর্শন করেছেন।
পৌর এলাকার নামুইট গ্রামের আব্দুল মান্নান বলেন, হঠাৎ করে কালবৈশাখী ঝড় শুরু হয়। কিছু বুঝে উঠার আগেই মাটির ঘরের ওপর গাছ ভেঙ্গে পড়ে। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি।
কালিকাপুর গ্রামের শাহাদত হোসেন মিঠু বলেন, ঝড়ের পর থেকে বিদ্যুৎ না থাকায় পানি সংকট দেখা দিয়েছে। বাইরে টিউবওয়েল থেকে পানি সরবরাহ করা হলেও তা পর্যাপ্ত না। বিদ্যুৎ না থাকায় খুব ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
শহরের কিছু অংশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হলেও এখনো উপজেলার বেশিরভাগ এলাকা রয়েছে এখনও অন্ধকারে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও ১ দিন সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন পল্লী বিদ্যুৎ এরিয়া অফিসের কর্মকর্তারা।
বিদ্যুৎ অফিস জানায়, কালবৈশাখী ঝড়ের তান্ডবে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ১০ টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙ্গে গেছে। আবার অনেক এলাকায় বড় গাছ, টিনের চালা বৈদ্যুতিক তাঁরের উপর পড়ে তাঁর ছিঁড়ে পড়েছে। ফলে শক্রবার সন্ধ্যা থেকেই পুরো উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এতে করে বিদ্যুৎ বিভাগের ক্ষতি হয়েছে ৮ লাখ টাকা।
নন্দীগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ এড়িয়া অফিসের এজিএম মাজাহারুল ইসলাম জানান, ঝড়ের পর থেকেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন কাজ করছেন। কাজ শেষ হলেই বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হবে।

Related Articles