শিরোনাম

আজ বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০১৯, ০৮:০৭ অপরাহ্


পুলিশ জনগণের বন্ধুঃ পুলিশ সুপার নড়াইল!!

পুলিশ জনগণের বন্ধুঃ পুলিশ সুপার নড়াইল!!

 

নড়াইল জেলা প্রতিনিধিঃ নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, পিপি এম (বার) বলেছেন, ‘পুলিশের একার পক্ষে সব অপরাধ নির্মূল করা সম্ভব না। জঙ্গি, ইয়াবা, সন্ত্রাস ও অপরাধ সমূলে উৎপাটন করতে চাইলে পুলিশের পাশাপাশি রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবীসহ সব শ্রেণিপেশার মানুষের সচেতনতা ও একান্ত সহযোগিতা প্রয়োজন। আমরা এদেশের জনগণের পুলিশ হতে চাই।  জঙ্গিবাদ, ইয়াবা ও অপরাধ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার বলেন, ‘জঙ্গি, সন্ত্রাস ও ইয়াবা ব্যবসায়ীরা এ দেশকে গ্রাস করতে চেয়েছিল। সারা বিশ্বের কাছে নেতিবাচক দেশ হিসেবে চিহ্নিত করতে চেয়েছিল। কিন্তু সাধারণ মানুষ ও মিডিয়ার সহযোগিতায় পুলিশ জঙ্গিবাদ ও ইয়াবা ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে কার্যকরী ভূমিকা পালন করেছে। ইতোমধ্যেই জঙ্গি ও ইয়াবা ব্যবসায়ী নিমূলে পুলিশ সফল হয়েছে। দেশে একজন জঙ্গি, সন্ত্রাস ও ইয়াবা ব্যবসায়ীরা থাকা পর্যন্ত নড়াইল ব্যাপী এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। দেশের মানুষ শান্তিতে থাকুক। আমরা জেগে থাকবো তাদের নিরাপত্তায়।
জঙ্গিবাদ,ইয়াবা ও সন্ত্রাস নির্মূলে প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, পিপি এম (বার) বলেন, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও ইয়াবা বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বলবত আছে নড়াইল ব্যাপী। যারা এ পথ পরিহার করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চায় তাদের সুযোগ দেওয়া হবে। যারা এখনও এ কাজে জড়িত রয়েছে, তারা যত শক্তিশালীই হোক আইনের আওতায় তাদের আসতেই হবে। ইয়াবা ব্যবসায়ীরা যদি আইনের কাছে আত্মসমর্পন না করে, আগামীতে তাদের ভয়ানক দিন অপেক্ষা করছে।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম (পিপিএম), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ শরফুদ্দীন, নড়াইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইলিয়াস হোসেন (পিপিএম),নড়াইল জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আশিকুর রহমান, ডিআইও-১ এস এম ইকবাল হোসেনসহ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। এ ব্যাপারে নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, পিপিএম (বার), নড়াইল জেলা অনলাইন মিডিয়া ক্লাবের সভাপতি উজ্জ্বল রায়কে, বলেন, বর্তমানে নড়াইলের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অবস্থা খুবই সন্তোষজনক। সকলে মিলে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করলে জনগণের সেবার মান আরও উন্নত হবে। যেহেতু মানুষের বিপদের সময়ের প্রধান আশ্রয়স্থল হলো পুলিশ সেহেতু পুলিশকে তার কাজের প্রতি আরও আন্তরিক হতে হবে। এছাড়াও ইয়াবা জঙ্গি ও সন্ত্রাস নির্মূলে জিরো টলারেন্সের ভিত্তিতে কাজ করে যেতে হবে। এর মাধ্যমে তৃণমূলের অপরাধ চিহ্নিত করে পুলিশ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারছে। সাধারণ মানুষ এ পদক্ষেপের মাধ্যমে এরইমধ্যে বেশ সুফলও পাচ্ছে।’

শেয়ার করুন