শিরোনাম
  পলাশবাড়ীতে সেচ্ছাসেবকলীগের শীতবস্ত্র বিতরণে কেন্দ্রীয় সভাপতি সম্পাদক       গাইবান্ধায় আমান উল্যাহ উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা       গাইবান্ধায় বোরো চাষে ব্যস্ত কৃষকরা       কুমিল্লার চান্দিনায় ধর্ষণের প্রতিবাদ করায় খুন হয় নাছির ।       তাড়াশে মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের ২য় পর্বের প্রশিক্ষণ উদ্বোধন       চান্দিনায় অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার।       কালিয়াকৈরে শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্ছি আকাশসহ গ্রেফতার ২       স্কাউটের মাধ্যমে শিশুরা প্রকৃতির সান্নিধ্যে থেকে বিজ্ঞানমনস্ক হয়ে উঠে সিমিন হোসেন রিমি এমপি       ডিমলায় ভিক্ষুকদের মাঝে শুকনা খাবার ও শীতবস্ত্র বিতরণ       দাদন ব্যবসায়ীর মারপিটে স্কুল শিক্ষকের মৃত্যু    

আজ শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২০, ০৯:৪৮ অপরাহ্


এ লজ্জা কোথায় রাখি?

এ লজ্জা কোথায় রাখি?

আমরা জাতি হিসেবে সত্যিই লজ্জিত, আতঙ্কিত, বিস্মিত! একজন তরুণ হিসেবে রাজাকারের তালিকা প্রকাশের খবর শুনে সত্যিই খুব আনন্দিত হয়েছিলাম, যেমনটা হয়েছিলাম মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকার খবর শুনে। কিন্তু; যখনই দেখলাম রাজাকারের তালিকায় এমন সব ব্যক্তির নাম এসেছে, যারা সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছেন, লড়াই করেছেন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে। কেউ কেউ মুক্তিযুদ্ধে সংগঠকের ভূমিকা পালন করেছেন। এমনকি শহীদ পরিবারের সদস্যদের নামও রয়েছে তালিকায়। অথচ এতে নেই চিহ্নিত অনেক রাজাকারের নাম। মুহুর্তেই কেমন যেনো বুকের ভেতর ব্যাথায় মোচর দিয়ে ওঠলো। আমাদের সকল আবেগ অনুভূতিতে ঝড় বয়ে গেলো। আমরা মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী প্রজন্ম। আমরা মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি, দেখিনি ভাষা আন্দোলন। তবুও আমাদের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য অথবা দেশের জন্য শ্রদ্ধা, ভালোবাসার কোনো কমতি নেই।

আমার প্রশ্ন- একটা মন্ত্রণালয় কীভাবে রাজাকারদের তালিকা সঠিক তদন্ত না করে জাতির কাছে প্রকাশ করলো? এই লজ্জা এখন আমরা কোথায় রাখি? মন্ত্রণালয়ের কাজটা কী? কেন মুক্তিযোদ্ধাদের কলিজায় আঘাত করলেন, তাও দেশের বিজয় দিবসে? বিজয় দিবসে একজন মুক্তিযোদ্ধা যদি তার নাম রাজাকারের তালিকায় দেখেন তখন তার কেমন অনুভূতি হয়? এটা বোধহয় আমাদের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক তিনিও ভাবেন নায়। সত্যিই আমরা এক বেআক্কল জাতি। যে জাতি মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান করতে জানেন না, সে জাতি কীভাবে বাংলাদেশকে আগলে রাখবে? কলঙ্কময় এই দিনগুলো আমরা দেখতে চাইনি। আমরা চাই মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধের কালো হাতগুলোর সঙ্গে কোনো আপোষ না করে উপযুক্ত শাস্তির বিধান নিশ্চিত করা এবং এ ধরণের লোকগুলোকে মন্ত্রণালয় থেকে চিহ্নিত করে চাকরিচ্যুত করা।

আমরা স্বাধীনতাকে বুকে ধারণ করে এগিয়ে যেতে চাই। এবার সময় এসেছে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী কালো হাতগুলোকে ভেঙে ভালো কিছু করার। একটি বাংলাদেশ, সুখী বাংলাদেশ, শান্তিময় বাংলাদেশ গড়ার। এই আমাদের দুঃখী দেশটি বড় ভালোবাসার দেশ, বড় মমতার দেশ। যারা জীবন বাজি রেখে আমাদের একটি বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন তাদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। আমরা আর স্বাধীনতা নিয়ে, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিভ্রান্ত হতে চাই না। আমরা তরুণ প্রজন্ম চাই স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস হোক সব বিতর্কের ঊর্ধ্বে।

এম. সোলায়মানঃ লেখক ও সহ-সম্পাদক, আলোকিত বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

পলাশবাড়ীতে সেচ্ছাসেবকলীগের শীতবস্ত্র বিতরণে কেন্দ্রীয় সভাপতি সম্পাদক

গাইবান্ধায় আমান উল্যাহ উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

গাইবান্ধায় বোরো চাষে ব্যস্ত কৃষকরা

কুমিল্লার চান্দিনায় ধর্ষণের প্রতিবাদ করায় খুন হয় নাছির ।

তাড়াশে মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের ২য় পর্বের প্রশিক্ষণ উদ্বোধন

চান্দিনায় অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার।

কালিয়াকৈরে শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্ছি আকাশসহ গ্রেফতার ২

স্কাউটের মাধ্যমে শিশুরা প্রকৃতির সান্নিধ্যে থেকে বিজ্ঞানমনস্ক হয়ে উঠে সিমিন হোসেন রিমি এমপি

ডিমলায় ভিক্ষুকদের মাঝে শুকনা খাবার ও শীতবস্ত্র বিতরণ

দাদন ব্যবসায়ীর মারপিটে স্কুল শিক্ষকের মৃত্যু