শিরোনাম

আজ শুক্রবার, ২৩ অগাস্ট ২০১৯, ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন


বাংলাদেশ চাল রফতানি করবে

বাংলাদেশ চাল রফতানি করবে

অনলাইন ডেস্ক :

কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক জানিয়েছেন, ফিলিপাইনে সিদ্ধ চাল রফতানির বাজার খুলছে। বাংলাদেশের চাল কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে দেশটি।সোমবার (১৫ জুলাই) সচিবালয়ে ফিলিপাইনের একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সভা শেষে মন্ত্রী এ কথা জানান।তিনি বলেন, আজ ফিলিপিন থেকে একটি পার্টি এসেছে, তারা চালের আমদানিতে ফিলিপিন সরকারকে সহযোগিতা করেন। ফিলিপিন সরকারও বলছে, তারা জিটুজি, সরকারের কাছ থেকেও চাল কিনতে পারে। তারা কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন মিলে গেছে, মান দেখেছে। তারা বলেছে, বাংলাদেশে চালের গুণগত মান ভালো।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ফিলিপাইনের মানুষ সিদ্ধ চাল খায়। সেটাও আমাদের জন্য ফেভারেবল। কাজেই দেশটিতে সহজেই চাল বিক্রি করা যাবে। আমাদের কিছু মিলারের সাথে আলাপ-আলোচনা করেছে, তারা মনে করেছে দামও মোটামুটি রিজান্যাবল। ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড তো মূল রফতানিকারক, তাদের দামের তুলনায় আমাদের চালের যে কোয়ালিটি তাতে দাম মোটামুটি ভালো হবে।

ঠিক কী পরিমাণ রফতানি করা যাবে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আবদুর রাজ্জাক বলেন, এ মুহূর্তে বাংলাদেশ চালের উদ্বৃতে আছে। দশ লাখ টন চাল রফতানি করলেও আমাদের কোনো সমস্যা হবে না। কিন্তু বাংলাদেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগের দেশ, যেকোনো সময় বন্যা হতে, প্রাকৃতিক দুর্যোগ হতে পারে। সে পরিপ্রেক্ষিতে আমরা গ্রাজুয়ালি যাব। যেমন- আমরা এখন দুই লাখ টন দিয়েছি। আরও যদি চাহিদা আসে আমরা পাঁচ লাখ করব। এভাবে আস্তে আস্তে যাব। তারা এখন এক লাখ টন নিতে চাচ্ছে। ফিলিপাইন সরকারও আমাদের সরকারের কাছ থেকে চাল কিনে নিতে চাচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, যদি পাঁচ লাখ টন চাল রপ্তানি করতে পারি অবশ্যই দামের উপরে প্রভাব পড়বে। আমরা বলছিলাম, তাই দামের ওপর প্রভাব পড়েছে। আবার দাম কমার দিকে। তবে চাল রপ্তানিতে সাধারণ মানুষ কোনো চাপের মধ্যে পড়বে না।তিনি আরো  বলেন, বেলজিয়ামের এক ভদ্রলোক তিনি ফিলিপাইনে থাকেন, উনি চালের জন্য আমাদের সাথে দেখা করতে এসেছেন। কাল তারা বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে দেখা করেছে। আমাদের মধ্যে খুব ভালো আলোচনা হয়েছে। আমার কাছে মনে হয় খুব তাড়াতাড়ি আমরা রপ্তানির ব্যাপারে ভালো ডিল করতে পারব।

শেয়ার করুন