আজ বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ০৬:৫৪ অপরাহ্


ভারতবিরোধী রাজনীতি করছে বিএনপি-জামায়াত

ভারতবিরোধী রাজনীতি করছে বিএনপি-জামায়াত

ফাইল ছবি ।

আবরার হত্যাকে নিয়ে বিএনপি-জামায়াত এখন ভারতবিরোধী রাজনীতি নিয়ে নতুনভাবে মাঠে নামার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন। শনিবার রাজধানীর পল্টনে ঢাকা ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনে ওয়ার্কার্স পার্টির মতিঝিল থানা সম্মেলনের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।মেনন বলেন, জামায়াতের প্রচার মাধ্যমসহ ইতোমধ্যে আবরারকে আগ্রাসন বিরোধী প্রথম শহীদ হিসেবে বর্ণনা করেছে। তার পুনরুক্তি করেছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। এতেই বোঝা যায় তারা আবরারের নিষ্ঠুর হত্যার বিচারের চাইতে তাদের লক্ষ্য হচ্ছে এটা নিয়ে তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করা।তিনি বলেন, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যকে ফেনী নদীর পানি দেয়া নিয়ে তারা আপত্তি তুলেছে। এটা স্পষ্ট করে বুঝতে হবে ত্রিপুরা রাজ্য আমাদেরকে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সর্বোচ্চ আশ্রয় দিয়েছিল। এমনকি তাদের জনগণের চাইতে আমাদের আশ্রয় গ্রহণকারী জনগণের সংখ্যা বেশি ছিল। তারা তাদের ঘর-বাড়ি ছেড়ে দিয়েছিল। তাদের একটা শহরের জন্য এক গন্ডুষ পানি তাদের প্রয়োজন পড়ে, সেটা আমরা দেব না। সেটা হতে পারে না।তিনি বলেন, আমাদের দুর্ভাগ্য হচ্ছে যে আমরা এখনও পর্যন্ত তিস্তার পানি বণ্টনের ব্যাপারে চুক্তিতে আসতে পারিনি। আমি মনে করি যদি বামফ্রন্ট থাকতো অথবা জ্যোতি বসু থাকতেন এই সমস্যার সমাধান হতো। কিন্তু যারা সেদিন মমতা ব্যানার্জীর নির্বাচনের বিজয়ের পরে লাফালাফি করেছিলেন। তারা তার কাছ থেকে কিছুই আনতে পারেনি।ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি বলেন, আজকে বিএনপি তাদের দীর্ঘ শাসন আমলে তিস্তা কেন গঙ্গার পানিও আনতে পারেনি। অন্যদিকে যে গ্যাসের কথা তারা তুলেছেন যে গ্যাসের চুক্তি হয়েছে, সেই গ্যাসের ব্যাপারে একই কথা প্রযোজ্য। তারাই বিএনপির আমলে এই গ্যাস ভারতকে দেয়ার জন্য উদ্যোগ নিয়েছিল।তিনি আরও বলেন, আমরা সেদিন জাতীয় কমিটির মাধ্যমে বিবিয়ানা লং মার্চ করার মধ্য দিয়ে সেই গ্যাস রপ্তানি বন্ধ করতে বাধ্য করেছিলাম এবং শেখ হাসিনাও একইভাবে বলেছিলেন যে গ্যাস দেয়া যাবে না। আর আজকে সেখানে চুক্তি হয়েছে এলপিজি গ্যাস, প্রাকৃতিক গ্যাস নয়। সুতরাং জনগণের মধ্যে এই বিভ্রান্তি ছড়িয়ে কোনো লাভ আছে বলে মনে হয় না। তবে এটা ঠিক ভারতের সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমরা অনেক বেশি সংবেদনশীলতা দেখাচ্ছি।

শেয়ার করুন