ফিচার

শীতের তীব্রতায় এবার কাপছে সবাই

আনোরুল ইসলাম :

মেঘময় আকাশ,মনে হয় যেন বৃষ্টি হবে।এদিকে আবার দিনভর,শিরশিরানি ঠান্ডা বাতাস।সন্ধা হতে না,হতেই কুয়াশার চাদরে ঢেকে যায় পথ-ঘাট, দুচোখ মেলে কুয়াশার ভিড়ে যেন,আর কোন কিছুই দেখা যায়না।চারদিক তাকালে মনে হয় এ,যেন এক কুয়াশার রাজ্য।এর সাথে  সাথে শিরশিরানি বাতাসের পরিমানটাও,বেড়ে যায়।রাস্তা-ঘাটে চলন্ত অবস্থায়,পুরো শরীল কুয়াশায় ভিজে যায়।মনে হয় যেন শরীল বরফে ঢেকে যাচ্ছে।এদিকে বৃদ্ধ মানুষ গুলো,প্রচন্ড ঠান্ডা আর শিরশিরানি বাতাসে ধুরধুর,করে কাপছে।এমনকী? অনেক বৃদ্ধ বাবা-মা,ঘর থেকে বাহির হচ্ছেনা এই শীতে।অনেকেই আবার,ঘরের ভিতর মাটির বাসনে  আগুন নিয়ে বসে আছে শুধু এই শীতের কারনে।মাঝে-মাঝে আবার হঠাৎ করেই দিনের তাপমাত্রাটা, একেবারেই কমে যায়,এদিকে আবার দেখা  যায়,বাতাসের মাত্রা একেবারেই বেড়ে, যায়। ফলে শীতে তীব্রতা অনেকটাই বেড়ে যায়।লক্ষ্য করে দেখা যায়,শীতের এই তীব্রতায় এবার বৃদ্ধ বাবা,মা, থেকে শুরু করে ছোট-বড়,সকলেই ধুরধুর করে  কাপছে।অনেক চাষীরা মাঠে নামতে সাহস পাচ্ছেনা, কুয়াশা আর শিরশিরানি বাতাসের মাঝে। এলাকার অনেক নিম্ন আয়ের পেশা জীবি,রয়েছে,এদের মধ্যে অনেকেই খেটে খাওয়া দিন মজুর।সরেজমিনে দেখা যায়,শীতের এই তীব্রতার কারনে,তাদের এই দৈনন্দিন জীবনের পেশায় নিয়োজিত হতে সংকোচ বোধ করছে।যদিও বা, কেউ কাজে নিয়োজিত হয়ে,মাঠে রয়েছে,কিন্তুু কাজ করতে খুবই কষ্টবোধ এবং অসহ্য কর হয়েছে, প্রবল ঠান্ডা বাতাস,এবং এই কুয়াশার কারণে।এই এলাকার অনেক শ্রেনীর ব্যবসায়ী রয়েছে,যারা প্রতিনিয়তই ছোটে চলে,ভোরবেলায় অনেক দুরদুরান্তে। এর মধ্যে বিশেষ উল্লখ্যযোগ্য বিষয় হচ্ছে,এসব ব্যবসায়ীদের মধ্যে অনেকেই রয়েছে কাচা মাল, ব্যবসায়ী।ভোরের দোয়েলের শিষে এরা ঘুম হতে উঠে,প্রথম ভোরে,ছোটে চলে কাচা মাল,সংগ্রেহের জন্য এই কুয়াশার ভিড়ে অনেক প্রান্তে।এই বিষয়ে অনেকেরই অভিমত অনন্য বছরের শীতের তুলনায় এবার শীতের তীব্রতা এবং আদ্রতা অনেক বেশী এমনকী বাতাসের পরিমানটাও অনেক বেশী রয়েছে,ফলে এবার শীতের তীব্রতায় কাপছে সবাই।

Related Articles