শিরোনাম

আজ বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০১৯, ০৮:১১ অপরাহ্


সমালোচনার পর ডিসির বাংলো থেকে রাজা সীতারাম রায়ের পালঙ্ক গেল খুলনায়! এখন ফ্লোরে ঘুমান ডিসি

সমালোচনার পর ডিসির বাংলো থেকে রাজা সীতারাম রায়ের পালঙ্ক গেল খুলনায়! এখন ফ্লোরে ঘুমান ডিসি

 

উজ্জ্বল রায়,নড়াইল জেলা প্রতিনিধি : সমালোচনার পর ডিসির বাংলো থেকে রাজা সীতারাম রায়ের পালঙ্ক গেল খুলনায়! ফ্লোরে ঘুমান ডিসি আলী আকবর‘। রাজা সীতারাম রায়ের স্মৃতিচিহ্ন ও ৩০০ বছরের প্রাচীন একটি পালঙ্কে ঘুমান মাগুরার জেলা প্রশাসক’ প্রকাশিত এমন খবরকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন ডিসি আলী আকবর। রাজার পালঙ্কে নয়, তিনি ফ্লোরে ঘুমান বলে দাবি করেছেন। আমাদের প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়, জানান, ১৬৮৬ সালে সম্রাট আওরঙ্গজেবের কাছ থেকে রাজা উপাধি লাভ করেন সীতারাম রায়। প্রতাপশালী এই রাজা যে পালঙ্কে বিশ্রাম নিতেন সেটি দীর্ঘদিন ধরে মাগুরা জেলা প্রশাসনের ট্রেজারিতে রাখা ছিল। নতুন ভবন নির্মাণ এবং সংস্কার কাজের সুবিধার জন্যে এটি বিভিন্ন সময় ট্রেজারি থেকে রেকর্ডরুমের স্তূপে এবং জিমখানার অন্যান্য অব্যবহৃত উপকরণের পাশে জায়গা পেয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, গত ২ ফেব্রুয়ারি রাজা সীতারামের সেই পালঙ্কটি মাগুরার এনডিসি রাজিব চৌধুরীর সহায়তায় জেলা প্রশাসকের বাসভবনে নিয়ে যাওয়া হয়। ডিসি ওই পালঙ্কে ঘুমান এমন খবর প্রকাশিত হওয়ার পর তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘পালঙ্কটি দীর্ঘদিন ধরে জেলা প্রশাসকের বাংলোতেই রয়েছে। আমার এটি আনার প্রশ্নই ওঠে না। বরং পালঙ্কটি নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল। তাই আমি মেরামত ও রঙ করিয়েছি।’ পালঙ্কটি কেন জাদুঘরে পাঠানো হয়নি, এ প্রশ্নের উত্তরে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘আমার আগের জেলা প্রশাসক প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরকে এটি গ্রহণ করার জন্য লিখিতভাবে জানিয়েছিলেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত তারা এটি গ্রহণ করেনি। এই মূল্যবান সম্পত্তি প্রতœতত্ত্ব বিভাগ গ্রহণ না করলে আমি কি সেটা রাস্তায় ফেলে দেবো? জেলা প্রশাসক হিসেবে পালঙ্কটি সযতেœ সংরক্ষণের স্বার্থেই আমি আমার দায়িত্ব পালন করছি।’ রাজার পালঙ্কে ঘুমানোর প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ছাত্রজীবন থেকেই আমার ফ্লোরে ঘুমানোর অভ্যাস। এখনো আমি ফ্লোরেই ঘুমাই। রাজার পালঙ্কে ঘুমানোর প্রশ্নই ওঠে না।’

শেয়ার করুন