নন্দীগ্রামে কালিশ-পুনাইল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ নিয়োগ ও আর্থিক খাতে অনিয়মের অভিযোগ

নন্দীগ্রামে কালিশ-পুনাইল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ নিয়োগ ও আর্থিক খাতে অনিয়মের অভিযোগ

নন্দীগ্রাম(বগুড়া)প্রতিনিধি: বগুড়ার নন্দীগ্রামে কালিশ-পুনাইল ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রসায় সরকারী নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে অধ্যক্ষ নিয়োগ ও আর্থিক খাতে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ এনে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি মোঃ বেলাল হোসেন বাবলুর বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ পত্র দিয়েছেন মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সদস্যরা। অভিযোগ সুত্রে জানাযায়, কালিশ-পুনাইল ফাজিল মাদ্রসার অধ্যক্ষ মাওঃ মোঃ আজিজ চাকরীর মেয়াদ শেষে হয়ে যাওয়ায় চলতি বছরে গত ৩০ শে অক্টোবর সে অবসরে যান। সে মোতাবেক ওই প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষর পদ-শূন্য হয়ে পড়ে। ওই শূন্য পদে একজন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ দেওয়া জরুরী হয়ে পড়ে। উক্ত পদে উপাধ্যক্ষকে কে দায়িত্বভার আরবী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিপত্র অনুযায়ী দেওয়ার নিয়ম থাকা সত্তেও প্রতিষ্ঠানের সভাপতি নিজের স্বার্থ ভেবে সরকারী বিধি লংঘন করে ৪র্থ নং আরবী প্রভাষক মো: তোফাজ্জল বারী কে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষর দায়িত্ব প্রদান করে তার ইচ্ছেমত মাদ্রাসার আর্থিক অনিয়ম ও দূর্নীতি করছে বলে তারা অভিযোগ করেন। এদিকে অভিযোগে আরো বলা হয়, সভাপতি শূণ্য পদে অধ্যক্ষ নিয়োগের জন্য বিজ্ঞাপন বহুল আলোচিত পত্রিকায় না দিয়ে গোপনে বাজে পত্রিকায় দিয়ে গোপনে বহু অংকের টাকার বিনিময়ে অযোগ্য ও অদক্ষ লোককে নিয়োগ দেবার চেষ্টা চলছে বলে উল্লেখ করা হয়। অন্যদিকে অভিযোগে আর্থিক অনিয়মের কথা উল্লেখ করা বলা হয়, ১৭-১৮ অর্থ বছরে মাদ্রাসার ৪৫ বিঘা জমির বছর পত্তনির প্রায় ৫লাখ টাকা সভাপতি মোঃ বেলাল হোসেন বাবলু মাদ্রাসার ব্যাংক একাউন্টে প্রদান করেনি। এছাড়াও অত্র মাদ্রাসার গর্ভনিং বডির সদস্যগন মাদ্রাসার জমি পত্তনি নিয়ে পত্তনির টাকা প্রদান করেনি বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন। কালিশ-পুনাইল ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো: তোফাজ্জল বারী বলেন, কোন্দলের কারনে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। এ নিয়ে কথা হয় প্রতিষ্ঠানের সভাপতি মোঃ বেলাল হোসেন বাবলুর সাথে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

শেয়ার করুন