বাসর রাতেই শ্রীঘরে যেতে হল

বাসর রাতেই শ্রীঘরে যেতে হল

বিয়ে করে বাসর ঘর করা হল না সাভারের ভাগলপুরের আলিফের। প্রেমিকার অনশন ও অভিযোগের কারনে সাভার মডেল থানা পুলিশ তাৎক্ষনিক তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ায় বাসর রাতেই শ্রীঘরে যেতে হল তাঁকে। ঘটনাটি ঘটেছে আজ (শুক্রবার) রাত প্রায় ১১ টার দিকে।অভিযোগে প্রকাশ, গার্মেন্টস কর্মী রেশমী (ছদ্মনাম) এর সাথে ভাগলপুরের শাহ আলমের ছেলে মনিরুল ইসলাম আলিফের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। প্রায় আড়াই বছর আগে মেয়েটিকে বিয়ে করবে বলে প্রলোভন দেখিয়ে পার্শ্ববর্তী এলাকায় একটি বাসা ভাড়া করে রেশমীর সাথে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে বসবাস করতে থাকে তারা। এভাবে নিয়মিত মেয়েটির দেহ ভোগ করে আলিফ।আজ সন্ধ্যায় আলিফ অন্যত্র বিয়ে করে স্ত্রীকে ঘরে তুলে। এ সংবাদ পেয়ে রেশমী প্রথমে আলিফের বাড়ি যায়। সেখানে রেশমীর বিচারের বাণীতে কেউ সহানুভূতি দেখায়নি। পরে রেশমী আজ রাতেই সাভার মডেল থানায় একটি অভিযোগ করে এবং আলিফের বাড়ির সামনে অনশন করতে থাকে।রাত প্রায় সাড়ে দশটার দিকে সাভার মডেল থানার ওসি (অপারেশন) জাকারিয়া ও ওসি (ইন্টিলিজেন্ট) মাসুদ তাৎক্ষনিকভাবে ঘটনার তদন্ত করেন। আলিফের বাড়ি গিয়েও দেখেন সেখানে নতুন বধু এসেছে। এরপর রেশমী এবং আলিফকে তার আত্মীয়-স্বজনসহ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসে। থানায় এসে মনিরুল ইসলাম আলিফ অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে।রাত প্রায় ১১ টার দিকে প্রলোভনে ফেলে ধর্ষন করার অভিযোগে মনিরুল ইসলাম আলিফকে শ্রীঘরে পাঠানো হয়।এ ব্যাপারে সাভার মডেল থানার ওসি এএফএম সায়েদ বলেন, প্রতিটি মানুষ ন্যয় বিচার পাওয়ার অধিকার রাখেন। তাৎক্ষনিক তদন্তে এবং আলিফের স্বীকারোক্তিতে ঘটনা প্রতিয়মান হওয়ায় তাঁকে হাজতে পাঠানো হয়েছে।পরবর্তী আইনী প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।

শেয়ার করুন