নন্দীগ্রাম-কাহালু আসনে কে হবেন এমপি

নন্দীগ্রাম-কাহালু আসনে কে হবেন এমপি

বগুড়ার নন্দীগ্রাম-কাহালু উপজেলাকে নিয়ে গঠিত বগুড়া-৪ সংসদীয় আসন। এটি জামায়াতের সহিংসতাপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত। ২০১৩ ও ২০১৫ সালে সরকার বিরোধী আন্দোলনের সময় এই নন্দীগ্রাম উপজেলা বারবার আলোচনায় এসেছে সহিংসতা-নাশকতার কারণে। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৮ হাজার ৬৪৪ জন। এ আসনে নারী ভোটার বেশি। তাদের সংখ্যা ১ লাখ ৫৬ হাজার ১৬৯ জন। আর পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫২ হাজার ৪৭৫ জন। এরমধ্যে নন্দীগ্রাম উপজেলার ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৩৯ হাজার ৪১০ জন ও কাহালু উপজেলার ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৬৯ হাজার ২৩৪ জন। এই আসনে কেন্দ্রীয় জাসদের সহ-সভাপতি ও জেলা জাসদের সভাপতি রেজাউল করিম তানসেন মহাজোট থেকে (নৌকা) ও জেলা বিএনপির সদস্য ও জিয়া শিশু কিশোর সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন (ধানের শীষ) প্রতীক নিয়ে মূল প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। এছাড়া সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সময়ের আলোচিত ব্যাক্তি অভিনেতা আশরাফুল ইসলাম আলম ওরফে হিরো আলম (সিংহ) প্রতিক নিয়ে দুই উপজেলার মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। এছাড়াও বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের মনোনীত প্রার্র্থী জনাব কাজী এম এ কাশেম ( ফুলের মালা) ও ইদ্রিস আলী (হাত পাখা) প্রতিক নিয়ে নির্বাচনী প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। আগামী ৩০শে ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে ৫ প্রার্থী মাঠ চুষে বেড়াচ্ছেন। প্রার্থীরা এখন দিন-রাত ভোটারদের দোর-গোড়ায় ভোট প্রার্থনায় ব্যস্ত সময় অতিক্রম করছে। হাট-বাজার, ওয়ার্ডে-ওয়ার্ডে, পাড়া-মহল্ল¬া সহ চাঁ-স্টলে সর্বত্রই চলছে জাতীয় সংসদ নির্বাচনী পূর্বান বাতাস। মর্যাদার লড়াইয়ে প্রার্থীরা তাদের ব্যাপক কর্মকৌশল চালাচ্ছে। থেমে নেই ফেসবুকেও প্রচার প্রচারনা। তবে নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে নির্বাচনী মাঠ ততই সহিংস হয়ে উঠছে। ইতিমধ্যে নির্বাচনী অফিস ভাংচুর, ককটেল বিস্ফোরন ও মোটরসাইকেল পোড়ানোর মত ঘটনা ঘটেছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে হার-কাপানো শীতকে উপেক্ষা করে ভোটারদের রাতের ঘুমকে হারাম করেছে প্রার্থীরা। প্রার্থীরা প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে প্রতিটি গ্রামে-গ্রামে পোষ্টারে-পোষ্টারে ছেয়ে ফেলেছে গোটা নন্দীগ্রাম-কাহালু নির্বাচনী এলাকা। তবে মাঠে-ঘাটে শুধু একটাই আলোচনা কে হবেন বগুড়া-৪ আসনের এমপি তা নিয়ে জনগণ চিন্তা ভাবনা ও নানা প্রকার হিসাব-নিকাশ শুরু করেছে।

শেয়ার করুন