ফিচার

হলুদে সমাহার ফসলী মাঠ,সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

মো: ফজলুর রহমান :

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার কৃষকরা এখন সরিষা আবাদে ঝুকেঁ পড়েছে। মাঠকে-মাঠ হলুদে সমাহার আশানুরুপ রবি শস্যা এ উপজেলায় চাষ করা হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে উপজেলার শস্যা চাষীরা এবার আর্থিকভাবে লাভবান হবে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় কৃষি বিভাগ। কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, অন্য যে কোন আবাদের চেয়ে সরিষা চাষে তুলনামুলক খরচ কম এছাড়া এই আবাদে পরিশ্রম কম হয়। উপজেলার সরিষার আবাদ গতবারের চেয়ে এবার বেশী জমিতে সরিষা চাষ করেছে কৃষকরা। এবার চলতি মৌসুমে নন্দীগ্রাম উপজেলায় ৩ হাজার হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ করা হয়েছে। গতবার সরিষা আবাদ হয়েছিল এর চাইতে কম জমিতে। এ দিকে আলু চাষ হয়েছে ৪ হাজার ৭শ হেক্টর জমিতে। গতবার হয়েছিল ২ হাজার ৬শ ২০হেক্টর জমিতে। যা গতবারের তুলনায় এবার ২ হাজার ৮০ হেক্টর জমিতে আলুর আবাদ বেড়েছে। মরিচ চাষ হয়েছে ৩০০হেক্টর জমিতে। উপজেলার কাথম গ্রামের সফল কৃষক আবুল হোসেন শান্ত বলেন, এবার আমি ৪ বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছি। ধান চাষের চেয়ে সরিষা চাষ করা ভাল অল্প পরিশ্রমে বেশী লাভ পাওয়া যায়। তাছাড়া সরিষা ঘরে তুলার পর ওই জমিতে ইরি-বোরো ধান চাষ করা হবে। সরিষার জমিতে ধানের ফলন বেশী হয়। উপজেলার বাদলাশন গ্রামের সরিষা চাষী আবুল হোসেন ও দুলাল বলেন, নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে জমিতে সরিষার বীজ রোপন করলে বেশী সরিষা ফলনো সম্ভাব। সঠিক দামটা পাওয়া যায় বাজারে। আমরা দু,জন কৃষক ১০বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছি। আবহাওয়া যদি অনূকুলে থাকে তাহলে আমরা এবার সরিষা বেশী ফলনোর উপজেলার শীর্ষে স্থানে থাকবো। এপ্রসঙ্গে কৃষি অফিসার মোহা. মুশিদুল হক জানান, সরিষা চাষীদের যথা সময়ে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কোন প্রকার সরিষার জমিতে রোগ বালাই আক্রমন করতে না পারে সে দিকে কৃষি বিভাগের নজর রয়েছে। প্রাকৃতিক দৃর্যোগ না হলে এবার সরিষার বাম্পার ফলন হবে এই উপজেলায়।

Related Articles