১ টাকা করে দিলে আমার মেয়েটা বেঁচে যাবে

১ টাকা করে দিলে আমার মেয়েটা বেঁচে যাবে

আমার মেয়েটা অনেক মেধাবী। লেখাপড়ার প্রতি অনেক ঝোঁক। সে বড় হয়ে ডাক্তার হয়ে মানুষের সেবা করতে চেয়েছিল। কপালের কি লিখন, ওকেই এখন সারাক্ষণ ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে থাকতে হয়। কান্নাজড়িত কণ্ঠে এমনটাই বলছিলেন আনিকার বাবা খাইরুল আজিম মিল্টন। এসময় তিনি আরো বলেন, টাঙ্গাইলের ৪৫ লক্ষ মানুষ ১ টাকা করে দিলে আমার মেয়েটা বেঁচে যাবে। আর বড় হয়ে সে সাধারণ মানুষের সেবা করতে পারবে।আনিকার মাতা বলেন, আমার কন্যা মেধাবী ছাত্রী। আনিকা দীর্ঘদিন যাবৎ জটিল (ফ্রালাসেমিয়া মেজর) রোগে ভূগিতেছে। প্রতিমাসে তাকে বাঁচাতে রক্ত দিতে হয়। এযাবৎ কাল তার পিতা নিজ অর্থে এবং বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু বান্ধবের সহযোগিতা নিয়ে চিকিৎসা চালিয়ে আসছেন। দীর্ঘদিন চিকিৎসার কারনে অর্থের অভাবে বর্তমানে আনিকার চিকিৎসা করা সম্ভব হচ্ছে না।

আনিকা টাঙ্গাইলের সদর উপজেলার তারুটিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর মেধাবী ছাত্রী। দীর্ঘদিন যাবৎ জটিল “ফ্রালাসেমিয়া মেজর” রোগে ভূগিতেছে। তাকে বাঁচাতে চায় তার পরিবার। অর্থের অভাবে চিকিৎসা হচ্ছে না তার। আনিকার পিতা তারুটিয়া গ্রামের একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত।ডাক্তার বলেছেন তার বোনমেরু প্রতিস্থাপন করতে হবে ভারতের চেন্নাই এ্যাপলো হাসপাতালে। সম্ভাব্য খরচ হবে প্রায় ২৫ লাখ টাকা। তার পিতার সম্পত্তি বিক্রি করেও ব্যয়বহুল এ চিকিৎসার জন্য এত টাকা সংগ্রহ করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। তাই সমাজের হিতৈষী বিত্তবানদের নিকট আনিকার চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা কামনা করেছেন।তার পিতা খায়রুল আজিম মিল্টনের একাউন্ট নম্বর- ০১০৩১২১০০০৭১২৭২ মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড, কাওরান বাজার শাখা, ঢাকা। এছাড়াও ০১৭২১০৮৫৫৯৫ বিকাশ নম্বরেও সাহায্য পাঠানো যাবে।

শেয়ার করুন